English Version বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২৩, ২০১৭ বাংলাদেশ সময় ৯:৫৭:৪৪ এএম বাজার : বন্ধ
al
Increase the speed of the ticker
Set the ticker's scrolling direction to right
বাজার হাইলাইটস
সর্বশেষ শেয়ার দর
কোম্পানি অনুসন্ধান

কোম্পানির ট্রেডিং কোড লিখুন:

ট্রেক হোল্ডার অনুসন্ধান

ট্রেক হোল্ডারের নাম লিখুন

বাজারের তথ্যাবলি
দিন শেষের পরিসংখ্যান
গুরুত্বপূর্ন লিংক সমূহ

ডিএসই পর্যবেক্ষন


এক্সচেঞ্জে পর্যবেক্ষন কার্যক্রম দুভাবে বাজারে সমন্বয় সৃষ্টি করে থাকেঃ


  • শেয়ারের মূল্য এবং পরিমাণের গতিবিধি পর্যবেক্ষণের সাথে সাথে বাজারকে অসদুপায়ে ব্যবহারের সম্ভাব্য উপায়গুলোকে প্রাথমিক পর্যায়ে চিহ্নিত করা এবং কোনো গুরুত্বপূর্ন তথ্যের অনুপস্থিতিতে বাজারে কোনো শেয়ারের মূল্যকে প্রভাবিত করার জন্য বাজারের অংশগ্রহণকারীদের ক্ষমতাকে খর্বিত করা

  • সময়োপযোগী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে অবশ্যম্ভাবী ঝুঁকিগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা


বাজার অপব্যবহার একটি বৃহৎ বিষয় যার মধ্যে শেয়ারের অস্বাভাবিক মূল্য/পরিমাণ, পরিবর্তন, কৃত্রিম লেনদেন, মিথ্যা বা ভুল ধারণা সৃষ্টি, অভ্যন্তরীণ লেনদেন (Insider Trading) ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত। অস্বাভাবিক আচরণ/পরিবর্তন ধরতে হলে, বাজারের স্বাভাবিক আচরণ সম্পর্কে জানতে হবে। প্রয়োজন সাপেক্ষে, প্রাথমিক পরীক্ষা/বিশ্লেষণের উপর ভিত্তি করে একটি বিভাগ তদন্ত কাজ সম্পন্ন করে এবং এর সাপেক্ষে দায়ী সদস্যদের বিরুদ্ধে এক্সচেঞ্জ উপযুক্ত ব্যবস্থা নেয়। বাজারে লেনদেনকৃত সকল সিকিউরিটিজের মূল্য ও পরিমাণের গতিবিধি ডিএসই’র পর্যবিক্ষন বিভাগের কার্যক্রমের আওতাধীন।

এক্সচেঞ্জ পর্যবেক্ষন কার্যক্রম মূলত দুটি মূল অংশে বিভক্ত-

  • মূল্য পর্যবেক্ষণ: মূল্য পর্যবেক্ষণ মূলত মূল্যের পরিবর্তন তথা শেয়ারের মূল্য বা পরিমাণের অস্বাভাবিক পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কযুক্ত

  • অবস্থান পর্যবেক্ষণ: অবস্থান পর্যবেক্ষণ মূলত সদস্যদের অস্বাভাবিক অবস্থান পরিবর্তনের সাথে জড়িত যার মাধ্যমে সদস্যরা অবশ্যম্ভাবী ঝুঁকি ব্যবস্হাপনার চেষ্টা করে।


মূল্য পর্যবেক্ষণঃ
মূল্য পর্যবেক্ষণ কার্যকলাপ মূলত কয়েকটি ধাপে বিভক্ত:

অন-লাইন সার্ভেইলেন্সঃ পর্যবেক্ষন কার্যক্রমের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন অংশ হচ্ছে অন-লাইন রিয়েল টাইম সার্ভেইলেন্স সিস্টেম, যার মাধ্যমে বাজার অপব্যবহারের সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলোকে চিহ্নিত করা হয় এবং কোনো গুরুত্বপূর্ন তথ্যের অনুপস্থিতিতে বাজারের কোনো শেয়ারের মূল্য/পরিমাণকে প্রভাবিত করার জন্য বাজারের অংশগ্রহণকারীদের ক্ষমতাকে খর্ব করা যায় । সর্বোপরি On-Line Real Time Surveillance System এর মাধ্যমে ঝুঁকি ব্যবস্থাপনাকে উন্নত করা যায় এবং এক্সচেঞ্জের স্বনিয়ন্ত্রণ কৌশলকে মজবুত করা যায়। এই সিষ্টেমটি সদস্যদের লেনদেন এবং ক্রয়-বিক্রয় আদেশ কার্যকলাপে পর্যবেক্ষনের সুযোগ করে দেয়।

অফ লাইন সার্ভেইলেন্সঃ অফ লাইন সার্ভেইলেন্স সিষ্টেমটির মাধ্যমে বিভিন্ন মানদন্ড এবং যাচাই বাছাই পদ্ধতি ভিত্তিক প্রতিবেদনের সমন্বয়ে তৈরী করা হয়। এর মধ্যে থাকে:


  • সর্বোচ্চ ও সর্বোনিম্ন মূল্যের পার্থক্য নির্নয়
  • সপ্তাহ/পক্ষ/মাস ভিত্তিক শতকরা পরিবর্তনের হার
  • সপ্তাহ/পক্ষ/মাস ভিত্তিক টার্নওভারের প্রেক্ষিতে শীর্ষ এন সিকিউরিটিজ
  • সপ্তাহ/পক্ষ/মাস ভিত্তিক লেনদেনের প্রেক্ষিতে শীর্ষ এন সিকিউরিটিজ
  • অনিয়মিতভাবে লেনদেনকৃত সিকিউরিটিজের লেনদেন
  • সিকিউরিটিজের নতুন উচ্চ/নিম্ন মাত্রা স্পর্শকরন ইত্যাদি

উপরিউক্ত প্রতিবেদন সাপেক্ষে শেয়ার সিকিউরিটিজের মূল্য পর্যবেক্ষন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।


তদন্তঃ
লেনদেনের উপর করা প্রাথমিক অনুসন্ধান/বিশ্লেষণের উপর ভিত্তি করে সিকিউরিটিজের লেনদেনের তদন্ত পরিচালনা করা হয়। যদি কোনো অনিয়ম খুঁজে পাওয়া যায়, তবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয় এমনকি প্রয়োজনে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত প্রতিবেদন বিএসইসি’র কাছে পাঠানো হয়।


পর্যবেক্ষনের পদক্ষেপসমূহঃ

  • সদস্যদেরকে সতর্কতা: বাজারে কোনো সিকিউরিটিজের লেনদেনের কোনো অনিয়ম হয়েছে বলে সন্দেহ হলে এই বিভাগটি সদস্য/সদস্যদের মৌখিক বা লিখিতভাবে সতর্কবার্তা পাঠাতে পারে।
  • জরিমানা/স্থগিতাদেশ দেয়া: তদন্ত প্রতিবেদনের উপর নির্ভর করে পাওয়া তথ্য/প্রমাণের পরিপ্রেক্ষিতে বিভাগটি, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার মাধ্যমে, বাজারে অনিয়মে জড়িত সদস্য/সদস্যদের বিরুদ্ধে জরিমানা বা স্থগিতাদেশ জারি করতে পারে।

গুজব যাচাইঃ

  • বিভিন্ন সদস্য কোম্পানির কমপ্লায়েন্স অফিসারদের সাথে যোগাযোগ করে পত্রিকাতে প্রকাশিত মূল্য সংবেদনশীল প্রাতিষ্ঠানিক সংবাদ জানার চেষ্টা করা
  • তালিকাভূক্ত বিভিন্ন কোম্পানির কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনলাইন নিউজ বুলেটিন আকারে পুঁজিবাজারে প্রচার করা
  • ইনসাইডার ট্রেডিং এর ঘটনা চিহ্নিত করতে প্রয়োজনে গুজব যাচাই করার জন্য তদন্ত পরিচালনা করা

অবস্থান পর্যবেক্ষণঃ
পর্যবেক্ষন বিভাগ প্রতিদিন সদস্য কোম্পানি সমূহের আউটস্ট্যান্ডিং এক্সপোজার ( Outstanding Exposure) নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে। এই উদ্দেশ্যে বিভাগটি বিভিন্ন অফ-লাইন এবং অনলাইন বাজার পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে। প্রতিবেদনগুলো বাছাই করা হয় এটা বোঝার জন্য যে, সদস্য কোম্পানিগুলোর স্বাভাবিক ব্যবসার চেয়ে কত বেশি ক্রয় বা বিক্রয় করছে। এটাও দেখা হয় যে, এখানে কোনো অস্বাভাবিক বেশি পরিমাণে ক্রয় বা বিক্রয় সম্পন্ন হয়েছে কিনা, ক্রয়গুলো অচল বা আর্থিকভাবে দূর্বল সদস্যদের দ্বারা করা হয়েছে কিনা এবং সিকিউরিটিজের গুণগত মান পর্যালোচনা করে এক্সপোজারের গুণগত মান সম্পর্কে ধারণা করা হয়।

বাজারে ঝুঁকিগুলো সম্পর্কে ধারণা পাওয়ার জন্য নিম্নোক্ত মূল বিষয়গুলোর উপর আলোকপাত করা হয়ঃ

অন-লাইন পর্যবেক্ষনের মাধ্যমে ব্রোকারের অবস্থান নির্নয়ঃ ব্রোকারের অবস্থান নির্নয় ব্রোকারের মার্জিন কল সময়মত নিশ্চিত করার জন্য পর্যবেক্ষন বিভাগ ব্রোকারের গ্রস টার্নওভার এক্সপোজারের নিবিড় পর্যবেক্ষণ করে।

সদস্য কোম্পানিগুলোর আর্থিক প্রতিবেদন যাচাই-বাছাই করাঃ দৈনিক আর্থিক বিবরণীগুলো যাচাই বাছাই করা, সদস্য কোম্পানিসমূহের এক্সপোজারের উপর নজর রাখা এবং এক্সপোজারের গুণনগত মান সম্পর্কে ধারণা লাভ করতেই এটা করা হয়। প্রয়োজনবোধে, প্রতিটি সিকিউরিটিজের জন্য সর্বোচ্চ ক্রেতা এবং সর্বোচ্চ বিক্রেতার নীট আউটস্ট্যান্ডিং (Outstanding) পজিশনের উপর বিস্তারিত প্রতিবেদন তৈরী করা হয়।

কনসেন্ট্রেটেড আর্থিক বিবরণী যাচাই-বাছাইঃ এটিকে একটি ঝুঁকিপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এরুপ পরিস্থিতিতে, সিকিউরিটিজগুলোর মৌলভিত্তি, দৈনিক টার্নওভার এবং তাদের লেনদেনগুলোর ধরণ সম্পর্কে ধারণা করা হয়। তারপর বাজারে বিদ্যমান ঝুঁকির ধারণাগুলো থেকে উপযুক্ত পর্যবেক্ষন কার্যক্রম হাতে নেয়া হয়।

স্বল্পমাত্রায় লেনদেন হওয়া সিকিউরিটিজের আর্থিক প্রতিবেদন যাচাই-বাছাইঃ এটিকে গভীরভাবে যাচাই-বাছাই করা হয় কেননা এই ধরণের সিকিউরিটিজের লেনদেনে তুলনামূলকভাবে উচ্চমাত্রার় ঝুঁকির সম্ভাবনা থাকে। প্রয়োজনবোধে, বাজারে বিদ্যমান ঝুঁকি সম্পর্কে ধারণা পেতে সদস্য কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে ঐ ধরনণের সিকিউরিটিজের লেনদেনের বিবরণ জানতে চাওয়া হয় এবং তাদের জন্য উপযোগী পর্যবেক্ষন কার্যকলাপ কি হবে সে সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

প্রাতিষ্ঠানিক লেনদেন যাচাইঃ লেনদেনের সত্যতা যাচাই করার জন্য ট্রেডিং সদস্য কোম্পানিগুলো দ্বারা সংগঠিত প্রাতিষ্ঠানিক লেনদেন গুলো যাচাই করা হয়।

বৈদেশিক লেনদেন যাচাইঃ লেনদেনের সত্যতা যাচাই করার জন্য ট্রেডিং সদস্য কোম্পানিগুলো দ্বারা সংগঠিত বৈদেশিক লেনদেনগুলো যাচাই করা হয়।

ক্রস রিপোর্টিং লেনদেন যাচাইঃ লেনদেনের সত্যতা যাচাই করার জন্য ট্রেডিং সদস্য কোম্পানিগুলো দ্বারা সংগঠিত ক্রস রিপোর্টিং লেনদেনগুলো যাচাই করা হয়।

ডিলারের নিজের লেনদেন যাচাইঃ লেনদেনের সত্যতা যাচাই করার জন্য ট্রেডিং সদস্য কোম্পানিগুলো (ডিলারদের) দ্বারা সংগঠিত লেনদেনগুলো যাচাই করা হয়।

উদ্যোক্তাদের লেনদেন যাচাইঃ লেনদেনের সত্যতা যাচাই করার জন্য ট্রেডিং সদস্য কোম্পানিগুলো দ্বারা সংগঠিত উদ্যোক্তাদের লেনদেনগুলো যাচাই করা হয়।

তাৎক্ষণিক তদন্তঃ প্রয়োজন সাপেক্ষে অনিয়ম যাচাই করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু লেনদেনের উপর প্রাথমিক তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। প্রাথমিক তদন্ত থেকে প্রাপ্ত তথ্য বিএসইসি’র কাছে পাঠিয়ে বিস্তারিত তদন্তের পরামর্শ দিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়।

বাজার গোয়েন্দাঃ জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক খবরগুলো কিভাবে বাজারে গুজব সৃষ্টি করে প্রভাবিত করে তা খতিয়ে দেখা হয়। এটি এক্সচেঞ্জগুলোকে বাজারের সমস্যাগুলো প্রতিহত করার ক্ষমতা দান করে বাজারে বড় কোন ধরণের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।

ব্লক ট্রেড পর্যালোচনাঃ এই পর্যালোচনা করা হয় এটা দেখার যে-

  • ডিস্কাউন্ট বা প্রিমিয়াম থাকা সত্ত্বেও কোনো শেয়ারের ব্লক লেনদেন অন্যান্য লেনদেনের মত করেই করা হয়েছে কিন
  • ব্লক লেনদেনের পূর্বে এর মূল্য বাড়ানো বা কমানোর মত কোনো সংবাদ প্রতিষ্ঠানটির ছিল কিনা

সেটেলমেন্টে ব্যর্থতার তালিকা পর্যালোচনাঃ

  • প্রায়ই ব্যর্থ হওয়া ব্রোকার/ ব্রোকারদেরকে চিহ্নিত করার জন্য
  • নির্দিষ্ট ধারার একটি শেয়ার চিহ্নিত করার জন্য

কোম্পানি হিসাব যাচাই-বাছাইঃ কোনো কোম্পানি কতৃক ঘোষিত প্রতিষ্ঠানটির ঘোষণাগুলো, প্রতিষ্ঠানিক প্রতিবেদনগুলো, নিরীক্ষকের যোগ্যতা এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো যাচাই করার জন্য।

মিডিয়ার তথ্য পর্যালোচনাঃ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দৈনিক মূল্যের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন প্রেস রিলিজ, সংবাদ বা অন্যান্য তথ্য যাচাই বাছাই করা।

নতুন তালিকাভূক্ত শেয়ারের তথ্য পর্যবেক্ষণঃ তালিকাভূক্ত নতুন কোন কোম্পানির শেয়ার মূল্য/লেনদেনে অস্বাভাবিকতা চিহ্নিত করতে প্রথম ১/২ সপ্তাহ কোম্পানিতির বাজার অবস্থান সম্পর্কে পর্যবেক্ষন করা।

সু-সম্পর্ক স্থাপনঃ বিএসইসি, অন্যান্য তালিকাভূক্ত প্রতিষ্ঠান এবং সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মীদের সাথে সু-সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং বজায় রাখা। বাজারে পরিচিতি বাড়ানো এবং বুদ্ধিমত্তা বৃদ্ধি করা।




স্টক এক্সচেঞ্জ ভবন, ৯/এফ মতিঝিল সি/এ, ঢাকা, বাংলাদেশ
ফোনঃ ৮৮-০২-৯৫৬৪৬০১, ৯৫৭৬২১০-১৮, ফ্যাক্সঃ +৮৮-০২-৯৫৬৪৭২৭, +৮৮-০২-৯৫৬৯৭৫৫
ইমেইলঃ dse@bol-online.com, ওয়েবঃ www.dsebd.org, www.dse.com.bd